Emergency appeal for Gaza from Bangladesh

Send your sadakah to Palestine

ছয় মাস বয়সী ক্ষুধার্ত আমাল: আমাল নামে এক ছয় মাস বয়সী শিশু মারাত্মক অপুষ্টিতে ভুগছিল। তার মা, লায়লা, জানিয়েছিলেন যে খাবারের অভাবে নিজের বুকের দুধ শুকিয়ে গেছে। শিশুটিকে কিছু খাওয়ানোর মতো কিছুই ছিল না। শেষ পর্যন্ত আমাল হাসপাতালে নেওয়ার আগেই মারা যায়। ডাক্তার বলেন, "আমরা শুধু তার মৃত্যুর সার্টিফিকেট দিতে পারি, কারণ দেওয়ার মতো খাবার আমাদেরও নেই।" আবু সালেহর পরিবার: আবু সালেহ, একজন দিনমজুর, তার পরিবার নিয়ে একটি ধ্বংসপ্রাপ্ত স্কুলে আশ্রয় নিয়েছেন। প্রতিদিন ভোরে তিনি বের হয়ে ডাস্টবিন থেকে কিছু খাবার খুঁজে আনেন। তার ১০ বছর বয়সী মেয়ে হানান পঁচা রুটি খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে, কিন্তু ওষুধ কেনারও সামর্থ্য ছিল না। “আমার মেয়েটা শুধু এক টুকরো ভালো রুটি চেয়েছিল,” - কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন সালেহ। রওয়া নামের কিশোরীর অভিজ্ঞতা: রওয়া, একজন ১৩ বছর বয়সী কিশোরী, জানিয়েছে, “আমরা দিনে একবার খেতে পারি—কখনও সেটা কাঁচা ডাল, কখনও পানি দিয়ে মাখানো আটা।” তার ছোট ভাই মাহমুদ কয়েক দিন আগে অনাহারে অজ্ঞান হয়ে পড়ে যায়। তারা তার জন্য কিছুই করতে পারেনি, শুধু বৃষ্টির পানি খাইয়ে রাখে। একজন চিকিৎসকের আর্তনাদ: ডা. ইউসুফ আল-কুদরা জানান, “আমাদের সামনে শিশু মারা যাচ্ছে শুধুমাত্র খাবারের অভাবে। এমনটা আমরা আগে কখনো দেখিনি। ওদের রক্তে কোনো পুষ্টি নেই, শরীর শুকিয়ে কাঠ হয়ে গেছে।” একজন মায়ের ভাষ্যে—“আমি খাইনি, যাতে সন্তান বাঁচে”: নাহিদা নামের এক মা জানিয়েছেন, “আমি টানা তিনদিন না খেয়ে ছিলাম, যাতে আমার একমাত্র সন্তান একটু খেতে পারে। তারপরও ওর পেট ভরেনি। সে শুধু বলেছিল—‘মা, আরও দাও।’ আমি শুধু ওকে জড়িয়ে কেঁদেছি।”

এই অভিজ্ঞতাগুলো গা**র মানবিক বিপর্যয়ের গভীরতা প্রকাশ করে। খাদ্য, পানি ও ওষুধের ঘাটতি শুধু একটি দেশের সংকট নয়, এটি আজ পুরো মানবতার জন্য একটি পরীক্ষার মুহূর্ত।